03 Nov 2016
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ, ফেসবুকে প্রচারিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতংক ও উত্তেজনা বিরাজ করার বিষয়ে জেলার সিভিল প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে জানানোর পরও উগ্র ধর্মবাদীদের সমাবেশের অনুমতি দেয়া ও সংখ্যালঘু জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে শুধু নয় ঐ সমস্ত সমাবেশে ইউএনও, ওসি’র বক্তব্য রাখার বিষয়টি উগ্র ধর্মবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদেরকে হামলা চালাতে উৎসাহী করেছে। ফলে প্রশাসনের ঐ সকল ব্যক্তিরও অপসারন ও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। ফেসবুকে আপত্তিকর ছবি প্রকাশ করার অজুহাতে রামু বৌদ্ধ বিহার, পাবনার সাথিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল। সে সব ঘটনার সাথে যুক্তদের শাস্তি কার্যকর হয়নি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বছরেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র বসত ভিটায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা, সে ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা না হওয়ায় একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে।
নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস মোবাবেলায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বছরেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ’র বসত ভিটায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা, সে ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা না হওয়ায় একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে।
নেতৃবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস মোবাবেলায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান ও দোষীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

EmoticonEmoticon