মা, ওগো মা ভাত দেও, বাবা একটু খানি দাড়াও,উনুন জ্বলছে,পানি গরম হলে চাল দেব,ছোট্ট শিশু রফিকুল কে শান্তনা দিচ্ছে মা,আসলে চাল নেই,বাচ্চা কে বুঝ দেয়ার জন্য মিথ্যে বলছেন মা,আমি প্রশ্ন করলাম মা এই ছোট বাচ্চা কেন মিথ্যে বললেন মা,মা কেঁদে বললেন,কি করব আজ পনের দিন ধরে না খেয়ে আছি,বনের লতা পাতা,বন কচু সিদ্ধ করে খেয়ে বেঁচে আছি।এখানে ৩২২ টি এক জায়গায় কোন মত পলিথিনের খোপড়া তুলে বেঁচে আছে,কোন ত্রাণ তারা এ পর্যন্ত পায়নি,লিষ্ট যদি করা হয়েছিল,জায়গা টি গোবিন্দগঞ্জ কাটাখালি বধ্য ভূমি,কিন্তু চেয়ারম্যান সাহেব সেই লিষ্ট বদলে দিয়ে নিজের আত্মীয় স্বজনদের দিয়েছেন,প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় বানভাসি নিরন্ন মানুষ গুলো ত্রাণ পাচ্ছেন না,ত্রাণ নিয়ে ব্যাপক দুর্নিতি চলছে,রাজনৈতিক ভোট ব্যাংক প্রচারণার জন্য জোড়সে চলছে ফটোসেশন,এক মগ খিঁচুরি দিতে শতাধিক নেতার ফটোস্যুট,গরীবের ক্ষুধাকে নিয়ে কত রকম ব্যাবসা চলে এই দেশে।আমার সাথে ছবিতে বয়স্ক মা আঙুর বালা,তিনদিন ধরে অনাহারী,প্রচন্ড অসুস্থ,খাদ্য নেই,চিকিৎসা নেই,বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা নেই,আমি কান্না থামিয়ে রাখতে পারলাম না,হায়রে মানুষ,এই মা আঙুর বালা আর শিশু রফিকুলের জন্য আপনাদের একটুও মায়া হয় না,তারা কি এইদেশের কাছে তাদের এইদেশের নাগরিক অধিকার মৌলিক চাহিদা রাষ্ট্রের কাছে পায় না।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শুনেছি আগামী কাল আপনি গাইবান্ধা গোনিন্দগঞ্জ আসছেন,দেখে যান কাটাখালির বধ্যভূমিতে আপনার প্রিয় জনতা কতটা সুখে আছে,আপনার নেতা আমলারা ত্রাণ কাকে দিচ্ছেন,কারা এই গরীব মানুষের হক মেরে লুটে নিচ্ছেন,প্রিয় দেশপ্রেমিক দেশবাসীর নিকট আমার আকুল আবেদন,দয়া করে আমার এই পোষ্টটি শিয়ার করে সবাইকে ছড়িয়ে দেবেন,যেন আমরা সত্যিকারের অসহায় মানুষদের পাশে দাড়াতে পারি।এগিয়ে আসুন,মানবিক দাবী,প্লীজ এগিয়ে আসুন।
শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
EmoticonEmoticon