সাততলা থেকে গৃহকর্মীকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া গৃহকর্তা সালেহ আহমেদ কার্লোস জামিনে বেরিয়ে গেছেন। কাজের মেয়েটি এখনও উঠে দাঁড়াতে পারেনা। হাত, পা ও পাঁঁজরের হাড় ভেঙে মেয়েটি কাতরাচ্ছে, ব্লাডমানির ফাঁদে ফেলে আদালত ও পুলিশ ম্যানেজ করে কার্লোস জামিনে মুক্ত !
হাসপাতালের বিল বাকি রয়েছে দরিদ্র পরিবারটির, এখন কার্লোসের দেখা নাই।
ন্যায় নীতিবোধ এগুলো কাগুজে শব্দ, কেবলমাত্র ক্ষমতার অলিন্দে থাকা অমানুষদের জন্য এ শব্দগুলো কার্যকর না !
২০১৪ সালে কার্লোস র্যাব'এর হাতে সংসদের মনোগ্রাম সহ মার্সিডিজ গাড়ী, ইয়াবা ও বৈদেশিক মুদ্রা সহ গ্রেপ্তার হয়। স্বনামধন্য গুণধর মন্ত্রীদের ছেলের বন্ধু কার্লোস র্যাবকে কলা দেখিয়ে জামিনে বেড়িয়ে গেছে। এখন ২০১৭ সালে কাজের মেয়েকে সাততলা থেকে ফেলে দিয়ে জামিনে বেড়িয়ে যায় কার্লোস।
আমাদের আইনের শাসণ ও পুলিশ বাহিনীর প্রভূত উন্নতি হয়েছে বোঝা যাচ্ছে।
ক্ষমতা লেপ্টে থাকা অমানুষদেরও ম্যানেজ করার ক্ষমতা বেড়েছে, সবই কড়ির খেলা বটে।
এদিকে ২০১৪ সালে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ জঙ্গী সামিউন দিল্লীতে গ্রেপ্তার হয়েছে আলকায়েদার জন্য লোক সংগ্রহ করতে গিয়ে। সামিউন নিশ্চয়ই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা কারও সাহচর্য পেয়েছেন অথবা টাকাই সামিউনের হয়ে কথা বলেছে। ধর্মের নেশায় মানুষ খুনে মত্ত সামিউনরা সহজেই জামিন পান, অথচ এ দেশের বিচারকরা জঙ্গীদের বোমা হামলায় নিহত হয়েছিলেন !
পুলিশী প্রতিবেদন যথাযথ না হলে, বিচারকের তা বাতিল করা ক্ষমতা রয়েছে। গত কয়েক বছরে এমন ঘটনা বিরল যেখানে বিচারকেরা সরব হয়েছেন অনাচারের বিরুব্ধে।
মাৎসান্নায় চলছে মাৎসান্নায়ের কাল
কড়ি যখন কথা বলছে, তখন কড়ি - বরগা ধরে ঝুলে যাওয়াই উত্তম
বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
এখন কার্লোসের দেখা নাই ।
Tags
Artikel Terkait
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
EmoticonEmoticon