মোস্তাফিজ রহমান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মোস্তাফিজ রহমান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭

মন চায় খুনী হই !

খুনী হতে মন চায়
একবার, ভয়ংকর
খুনী!! যাতে আমার
ছায়া ধর্ষকের গায়ে
পড়লেও, ধর্ষক যেন
থরথর করে কেঁপে
ওঠে, আর্তচিৎকার
করে, প্রাণ ভিক্ষা চায়,
ধর্ষিতাদের, রক্তস্রাবজনিত
অপাংক্তেয় উচ্ছিষ্ট পান
করতেও দ্বিধা না করে
তবুও রেহাই পাবেনা
আমার প্রাণঘাতী আঘাত
থেকে।।
সত্যিই আর কতো??
আর কতো চোখ ভেজাবো?
----
পৌনে চার বছরের শিশুটিও রক্ষা
পেলো না ধর্ষকের হাত থেকে!!
শিশুটির বয়স এখনও চার বছর হয়নি। তাতেই
হায়েনাদের চোখ পড়লো শিশুটির উপর। এমন
বর্বরতা তো আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগকেও হার
মানায়! রাজধানীর বাড্ডায় তানহা নামের
পৌনে চার বছরের এক শিশুকে পাশবিক
নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। ৩০ জুলাই
রোববার বিকালে বাড্ডার আদর্শনগরের ৪ নম্বর
সড়কের পাশে একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পাশবিক নির্যাতনের পর শিশুটিকে পাশের
বাড়ির বাথরুমে ফেলে রাখা হয়। পরে খবর
পেয়ে স্বজনরা শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়
হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার রাত সাড়ে ১০টায় বাসায় গিয়ে দেখা
গেছে, একমাত্র মেয়ের লাশ সামনে নিয়ে বসে
আছেন মা সুলতানা বেগম। কাঁদতে পারছেন না।
কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। শুধু বলছেন, আমার কী
হতে কী হল। এখন আমি বাঁচব কাকে নিয়ে?
জানা গেছে, তানহার বাবা মেহেদী হাসান
প্রাইভেটকার চালক। মা সুলতানা বেগম গৃহিণী।
তারা একমাত্র মেয়ে তানহাকে নিয়ে থাকেন
মধ্যবাড্ডার আদর্শনগর এলাকার মিনহাজ
মিয়ার বাড়ি।
সুলতানা বেগম জানান, তারা যে বাড়িতে
থাকেন ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন কলি নামে
এক নারী ও তার স্বামী। তারা দু’দিন আগে এ
বাসা থেকে ১০০ গজ দূরে পাশের বাড়িতে
ভাড়ায় উঠেছেন।
তিনি বলেন, রোববার বিকাল সোয়া ৫টার
দিকে তানহা আমাকে বলে কলি আন্টির
বাসায় বেড়াতে যাব। আমি বলি যাও,
তাড়াতাড়ি চলে এসো। বাসা থেকে বের
হওয়ার পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও ফিরছিল না
তানহা। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পাশের
বাড়ির এক নারী বাথরুমে যান। তিনি দেখেন
টয়লেটের কমোডে মাথা গোজানো অবস্থায়
পড়ে আছে তানহা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এসে খবর
দেন। এরপর গিয়ে দেখি মেয়ে আমার সেখানে
পড়ে আছে।
আর তার গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
প্রথমে স্থানীয় মেডিলিংক হাসপাতালে
নিয়ে যাই, তারপর আল সামি ক্লিনিক এবং
পরে বাড্ডা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে
যাই। কিন্তু কোনো হাসপাতালের চিকিৎসকই
দেখতে রাজি হলেন না। তাদের একই কথা,
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
যান। পরে বুঝতে পারলাম আমার মেয়ে মারা
গেছে।

শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৭

পাগলামি !

ইন্দোনেশিয়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুসলিম লোক
বাস করে, অথচ তারা আরবি নাম রাখার জন্য
পাগলামি করে না।
সিসিলো বামবাং, মেঘাওয়াতি সুকর্নপু্ত্রী এগুলো
রাখতে তারা ভয় পায় না। বরং, এটাই স্বাভাবিক।
আরবি নাম রাখার কোন 'ঠ্যাকা' আমাদের পরে নাই।
অথচ, আরবি ছাড়া অন্য কোন নাম হলে বাচ্চাটাকে
মানুষের বাঁকা কথা শুনতে এখানে সেখানে। আমরা
অদ্ভুত জাতি। আমি যতটুকু জানি (ভুলটুল থাকতে
পারে)। হযরত ওমর (রা) থেকে একটা হাদিসের
রেফারেন্স দেয়া হয় আরবি নাম রাখার পক্ষে।
যেটাতে বলা হয়েছিল যে, এমন নাম রাখতে হবে যেন
নাম শুনে বোঝা যায় বাচ্চা মুসলমান।
এখন, তারিক আজিজ ‌ নামটা শুনে কি বোঝা গেল?
সাদ্দামের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী তারিক আজিজ ‌
খৃষ্টধর্মালম্বী ছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যবাসী
খৃষ্টধর্মালম্বী মানুষেের নামের তালিকা রাস্তায়
টাঙিয়ে রাখলে বাঙালির বোধোদয় হতে পারে।
আমার, জানামতে ইসলাম ধর্ম প্রচারের সময়কালে,
যারা ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেছিল তাদের নাম বদল করে
ফেলা হয় নি, কয়েকজনের বিশেষ উপাধি ছিল অবশ্য।
এইবার আপনারা বলেন শুনি এই ধরনের কয়েকটা নাম ?