খুনী হতে মন চায়
একবার, ভয়ংকর
খুনী!! যাতে আমার
ছায়া ধর্ষকের গায়ে
পড়লেও, ধর্ষক যেন
থরথর করে কেঁপে
ওঠে, আর্তচিৎকার
করে, প্রাণ ভিক্ষা চায়,
ধর্ষিতাদের, রক্তস্রাবজনিত
অপাংক্তেয় উচ্ছিষ্ট পান
করতেও দ্বিধা না করে
তবুও রেহাই পাবেনা
আমার প্রাণঘাতী আঘাত
থেকে।।
সত্যিই আর কতো??
আর কতো চোখ ভেজাবো?
----
একবার, ভয়ংকর
খুনী!! যাতে আমার
ছায়া ধর্ষকের গায়ে
পড়লেও, ধর্ষক যেন
থরথর করে কেঁপে
ওঠে, আর্তচিৎকার
করে, প্রাণ ভিক্ষা চায়,
ধর্ষিতাদের, রক্তস্রাবজনিত
অপাংক্তেয় উচ্ছিষ্ট পান
করতেও দ্বিধা না করে
তবুও রেহাই পাবেনা
আমার প্রাণঘাতী আঘাত
থেকে।।
সত্যিই আর কতো??
আর কতো চোখ ভেজাবো?
----
পৌনে চার বছরের শিশুটিও রক্ষা
পেলো না ধর্ষকের হাত থেকে!!
পেলো না ধর্ষকের হাত থেকে!!
শিশুটির বয়স এখনও চার বছর হয়নি। তাতেই
হায়েনাদের চোখ পড়লো শিশুটির উপর। এমন
বর্বরতা তো আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগকেও হার
মানায়! রাজধানীর বাড্ডায় তানহা নামের
পৌনে চার বছরের এক শিশুকে পাশবিক
নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। ৩০ জুলাই
রোববার বিকালে বাড্ডার আদর্শনগরের ৪ নম্বর
সড়কের পাশে একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পাশবিক নির্যাতনের পর শিশুটিকে পাশের
বাড়ির বাথরুমে ফেলে রাখা হয়। পরে খবর
পেয়ে স্বজনরা শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়
হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার রাত সাড়ে ১০টায় বাসায় গিয়ে দেখা
গেছে, একমাত্র মেয়ের লাশ সামনে নিয়ে বসে
আছেন মা সুলতানা বেগম। কাঁদতে পারছেন না।
কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। শুধু বলছেন, আমার কী
হতে কী হল। এখন আমি বাঁচব কাকে নিয়ে?
জানা গেছে, তানহার বাবা মেহেদী হাসান
প্রাইভেটকার চালক। মা সুলতানা বেগম গৃহিণী।
তারা একমাত্র মেয়ে তানহাকে নিয়ে থাকেন
মধ্যবাড্ডার আদর্শনগর এলাকার মিনহাজ
মিয়ার বাড়ি।
সুলতানা বেগম জানান, তারা যে বাড়িতে
থাকেন ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন কলি নামে
এক নারী ও তার স্বামী। তারা দু’দিন আগে এ
বাসা থেকে ১০০ গজ দূরে পাশের বাড়িতে
ভাড়ায় উঠেছেন।
তিনি বলেন, রোববার বিকাল সোয়া ৫টার
দিকে তানহা আমাকে বলে কলি আন্টির
বাসায় বেড়াতে যাব। আমি বলি যাও,
তাড়াতাড়ি চলে এসো। বাসা থেকে বের
হওয়ার পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও ফিরছিল না
তানহা। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পাশের
বাড়ির এক নারী বাথরুমে যান। তিনি দেখেন
টয়লেটের কমোডে মাথা গোজানো অবস্থায়
পড়ে আছে তানহা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এসে খবর
দেন। এরপর গিয়ে দেখি মেয়ে আমার সেখানে
পড়ে আছে।
আর তার গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
প্রথমে স্থানীয় মেডিলিংক হাসপাতালে
নিয়ে যাই, তারপর আল সামি ক্লিনিক এবং
পরে বাড্ডা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে
যাই। কিন্তু কোনো হাসপাতালের চিকিৎসকই
দেখতে রাজি হলেন না। তাদের একই কথা,
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
যান। পরে বুঝতে পারলাম আমার মেয়ে মারা
গেছে।
হায়েনাদের চোখ পড়লো শিশুটির উপর। এমন
বর্বরতা তো আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগকেও হার
মানায়! রাজধানীর বাড্ডায় তানহা নামের
পৌনে চার বছরের এক শিশুকে পাশবিক
নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। ৩০ জুলাই
রোববার বিকালে বাড্ডার আদর্শনগরের ৪ নম্বর
সড়কের পাশে একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
পাশবিক নির্যাতনের পর শিশুটিকে পাশের
বাড়ির বাথরুমে ফেলে রাখা হয়। পরে খবর
পেয়ে স্বজনরা শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়
হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক
মৃত ঘোষণা করেন।
রোববার রাত সাড়ে ১০টায় বাসায় গিয়ে দেখা
গেছে, একমাত্র মেয়ের লাশ সামনে নিয়ে বসে
আছেন মা সুলতানা বেগম। কাঁদতে পারছেন না।
কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছে। শুধু বলছেন, আমার কী
হতে কী হল। এখন আমি বাঁচব কাকে নিয়ে?
জানা গেছে, তানহার বাবা মেহেদী হাসান
প্রাইভেটকার চালক। মা সুলতানা বেগম গৃহিণী।
তারা একমাত্র মেয়ে তানহাকে নিয়ে থাকেন
মধ্যবাড্ডার আদর্শনগর এলাকার মিনহাজ
মিয়ার বাড়ি।
সুলতানা বেগম জানান, তারা যে বাড়িতে
থাকেন ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন কলি নামে
এক নারী ও তার স্বামী। তারা দু’দিন আগে এ
বাসা থেকে ১০০ গজ দূরে পাশের বাড়িতে
ভাড়ায় উঠেছেন।
তিনি বলেন, রোববার বিকাল সোয়া ৫টার
দিকে তানহা আমাকে বলে কলি আন্টির
বাসায় বেড়াতে যাব। আমি বলি যাও,
তাড়াতাড়ি চলে এসো। বাসা থেকে বের
হওয়ার পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও ফিরছিল না
তানহা। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পাশের
বাড়ির এক নারী বাথরুমে যান। তিনি দেখেন
টয়লেটের কমোডে মাথা গোজানো অবস্থায়
পড়ে আছে তানহা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এসে খবর
দেন। এরপর গিয়ে দেখি মেয়ে আমার সেখানে
পড়ে আছে।
আর তার গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
প্রথমে স্থানীয় মেডিলিংক হাসপাতালে
নিয়ে যাই, তারপর আল সামি ক্লিনিক এবং
পরে বাড্ডা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে
যাই। কিন্তু কোনো হাসপাতালের চিকিৎসকই
দেখতে রাজি হলেন না। তাদের একই কথা,
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
যান। পরে বুঝতে পারলাম আমার মেয়ে মারা
গেছে।

EmoticonEmoticon