নাসিরনগরে ভুয়া অভিযোগে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালিয়েছিল তৌহিদি জনতা। নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামীলীগ। গোবিন্দগঞ্জে সাওতাল পল্লী উচ্ছেদে নেতৃত্ব দিয়েছিল আওয়ামীলীগ। বস্তিতে আগুন ধরিয়েছিল পুলিশ বাহিনী। বলা ভালো, গোবিন্দগঞ্জের বিষয়টি আজো ঝুলে আছে। নাসিরনগরের বলির পাঠা রসরাজ সপরিবারে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। দুটোর কোনটির ক্ষেত্রেই দায়ী ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি হয়নি, হলেও তা হয়েছে নামকাওয়াস্তে/লোক দেখানো। আজ পার্বত্য চট্রগ্রামের বর্তমান সংঘাতের পেছনে আছে সেটেলার বাঙালিরা। পেছনের নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করছে সরকারি আইনশৃঙ্খলা/প্রতিরক্ষা বাহিনী! বন্ধুগণ, আমি যদি বলি, এখানেও আওয়ামীলীগ জড়িত তাহলে কি ভুল হবে? নইলে সরকার নিয়ন্ত্রিত হলুদ মিডিয়াগুলো এ ব্যপারে নিশ্চুপ কেন? কেন ই বা তারা নিয়মরক্ষার নিউজ করে আবার সরিয়েও ফেলে? আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দোষী দের গ্রেফতার না করে উল্টো পাহাড়িদের নির্যাতন করে কেন? ঘটনা কি?
বিএনপি একটা সাম্প্রদায়িক দল। তা অসাম্প্রদায়িক আওয়ামীলীগের আমলেই দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় কেন?
তবু ভরসা রাখুন নৌকায়। আওয়ামীলীগ দেশ হতে প্রথমে সংখ্যালঘু তাড়াবার মিশনে নেমেছে। এরপর তাড়াবে আমাদের। অতঃপর আওয়ামীলীগ হেফাজতের সাথে মিলে পুরো দেশটাকে জাহান্নাম বানিয়ে ফেললেও প্রতিবাদ করার কেউ থাকবেনা।
EmoticonEmoticon