আপনি আওয়ামীলীগকে ভোট দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? বেশ ভালো কথা! আপনাকে জানিয়ে রাখি, আওয়ামীলীগের আপনার কিংবা আমার কারো ভোটের প্রয়োজন নেই। ভোটার বিহীন নিবার্চন করে যারা করে ক্ষমতায় এসে টিকে থাকতে পারে, সারা দেশের অস্থি মজ্জা দূর্ণীতি/চুরির মাধ্যমে চুষে চুষে খেতে পারে, সম্পত্তির পাহাড় গড়তে পারে, তাদের আপনার/আমার ভোট পেতে বয়েই গেছে। আমরা গণতান্ত্রিক দেশ বলে দাবি করি, কিন্তু আমাদের দেশে বর্তমানে চোরতন্ত্র বিদ্যমান। আর আওয়ামীলীগ হল জাতীয় চোরের দল। আচ্ছা, আপনি কি সত্যিই মনে করেন, থেমিসের মূর্তি অপসারণের পেছনে হেফাজত দায়ী? আপাত দৃষ্টিতে হেফাজত দায়ী থাকলেও দায়ী আসলে আওয়ামীলীগ! আর কাজটাও তারাই করেছে হেফাজতের নামে। হেফাজত এখানে উছিলা মাত্র। মনে রাখবেন, মূর্তি অপসারণের ইতিহাস এই প্রথম নয়, এর আগেও এই দেশে অনেক মূর্তি অপসারণ করা হয়েছে। লালন মূর্তির কথা ভুলে গেলে চলবে কি করে? তবে এটাই শেষ নয়, ভবিষ্যতে আরো হবে। জাতি এখন অন্ধকার যুগে প্রবেশ করেছে। সময়ের সাথে সাথে অন্ধকার আরো ঘন কালো হবে। সেই অন্ধকারে আমাদের হাতড়ে চলতে হবে, কোন আলো থাকবে না। একটা জাতি কখন ধ্বংস হয়? একটা জাতি ধ্বংসের প্রক্রিয়া তখনই শুরু হয়, যখন শাসক গোষ্ঠী শাসনের নামে শোষন করে /দূর্ণীতি করে/চুরি করে জনগণের সম্পদ আত্মসাত্ করে আর জনগণ না খেয়ে মরে। আমাদের ও সেই সময় ঘণিয়ে এসেছে। ধর্ষন এখন জাতীয় খেলায় পরিণত হয়েছে। গুম/খুন/হত্যা/ক্রসফায়ার/ভিন্নমতকে দমন/রাষ্ট্রীয় মদদে হত্যা/বিচারহীনতা/বিচারের নামে প্রহসন ইত্যাদি তো আছেই। সর্বোপরি রাজনীতিতে যদি ধর্ম প্রবেশ করে, আর বিশ্বাস অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা হয় তাহলে সেটা আর কল্যানকর দেশ থাকেনা, হয়ে যায় দেশের কংকাল/অকার্যকর রাষ্ট্র। বাঙলাদেশের অবস্থাও ঠিক তাই। ভবিষ্যতে এই দেশে বসবাস করার জন্য একটাও মানুষ পাওয়া যাবে না, তখন থাকবে শুধু মুসলমান আর মুসলমান।
শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০১৭
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
EmoticonEmoticon