পুরান ঢাকায় নিরীহ টেইলারিং ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসের হত্যাকারীরা পুলিশের কাছে এখনো অজ্ঞাতপরিচয়, সূত্রাপুর থানায় এভাবেই একটি মামলা করেছে পুলিশ। রবিবার অবরোধের দিন পথচারী বিশ্বজিৎকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের ওই কর্মীরা প্রকাশ্যে আনন্দ করে বেড়ালেও তাদের কিছুই বলা হচ্ছে না। সকালে বিশ্বজিতের রক্তে হাত রাঙিয়ে ওই রাতেই তারা ছাত্রলীগের এক নেতার জন্মদিনে নেচেগেয়ে আনন্দ করেছে; প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে বুক ফুলিয়ে অংশ নিয়েছে। অথচ পুলিশ ওদের খুঁজে পায় না। ঘটনার দিনই টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দিন-রাত যে ফুটেজ দেখিয়েছে, তাতে ছাত্রলীগের খুনিদের চেহারা স্পষ্ট দেখা গেছে। পরদিন পত্রপত্রিকাগুলো ওদের নাম-পরিচয় ছেপেছে, তবু পুলিশ নির্বিকার! তবু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এরা কেউ ছাত্রলীগের না। আইনপ্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। পুলিশ বলে, এরা অজ্ঞাতনামা। গণমাধ্যমে স্পষ্ট ছবি ও ভিডিও ফুটেজ থাকার পরেও বিচারিক আদালতের রায় কিভাবে পাল্টে গেলো উচ্চ আদালতে? বিচারিক আদালতে যেখানে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের ৮ কর্মীর ফাঁসি ও ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিলো সেখান উচ্চ আদালতের আজকের রায়ে ছাত্রলীগের ২ কর্মীর ফাঁসি, ১২জনের যাবজ্জীবন আর ৪ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। আইনজীবীর দুর্বলতা ঠিক কোন জায়গাটিতে ছিলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি, সেই সাথে বিশ্ববাসী যে হত্যাকান্ডটি দেখেছে সেখানে আপনাদের চোখ কেনো তা দেখতে পায়নি তা আমার বোধগম্য নয়। ক্ষমতাসীনদের হত্যার বৈধতা দেয়া আজকের এই রায় আওয়ামী লীগের জন্য এক কলঙ্ক জনক হয়ে থাকবে চিরকাল। মাননীয় আদালত, রাষ্ট্রের একজন নগণ্য নাগরিক হিসেবে আপনার দেয়া এই রায় প্রত্যাখ্যান করছি । এই রায় কোন মানুষের মেনে নেওয়া সম্ভব নয় আমার মতে! বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা
'মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন পলাতক রয়েছেন। বাকি আটজন কারাগারে আছেন। আসামিদের সবাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন...
সারাবিশ্ব বিশ্বজিৎ নামের সেই মালাউনকে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যার ভিডিও ফুটেজটি দেখেছে।আর কি প্রমান লাগে অপরাধীদের শাস্তি দিতে??
প্রথমে নিম্ন আদালত ৮ জনকে ফাঁসি দিয়েছিল যার মধ্যে দুজন ছিল পলাতক। এখন হাইকোর্ট গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনের ফাঁসি মওকুক করে দিয়েছে ।২ জন বেকসুর খালাস।ফাঁসি দিয়েছে সেই দুজনকে যারা পলাতক।আদৌ কখনো কি খুঁজে পাওয়া যাবে তাদের?
এই ছবি গুলিতে দেখা যাচ্ছে বিশ্বজিৎকে কোপাচ্ছে ৮-১০ জন যবন ছাত্রলীগ নেতা- কর্মী।৫ বছর অপেক্ষার পর প্রহসনের বিচার ব্যবস্থার চুড়ান্ত রায়ে ২ জনের ফাসির রায় দেওয়া হলো।আর সব থেকে অবাক করা ব্যাপার পুলিশলীগ ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারে নি। এই দায় নিয়ে তো পুলিশের মাতাল আইজিপির গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিৎ ছিলো।যে সকল হিন্দু এখনো আওয়ামি লীগের জয়গান গাচ্ছে তাদের জন্ম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে । আর আমি আরেকটি ১৫ই আগষ্ট চাই মনে প্রাণে ।এই চাওয়াতে আমার ফাসি হলেও আফসোস নাই । যেহেতু দেশ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর চেয়েও খারাপ অবস্থায় চলছে ।ভিডিও ফুটেজ দেখে যদি বিশ্বজিতের হত্যার দায়ে শুধু ২ জনকেই ফাঁসি দেওয়া হয় বাকি খুনিরা কেন খালাস পেলো? নিম্ন আদালতের রায় যদি এভাবেই বাতিল হয়ে যায় মানুষ সু-বিচার কোথায় পাবে প্রধান বিচারপতি সাহেব?
সাজা কমিয়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন এবং মীর মো. নূরে আলম লিমনকে।
আর সাইফুল ইসলাম এবং কাইয়ুম মিঞা টিপুকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দেয়া হয়েছে!
যে কোন হত্যাকান্ডের রায় দেওয়া হয় হত্যাকারীর হত্যা করার মোটিভ দেখে,রায়ে কিন্তু স্পষ্ট ২ জন ফাসি বাকিরা যাব্বজীবন।
পৃথিবীর তাবৎ নপুংসক কাপুরুষ জাতি এই হিন্দু জাতি ।এদের পথে ঘাটে ধরে ধরে কোপাচ্ছে
ঘর বাড়ি সহায় সম্পত্তি দখল হয়ে যাচ্ছে
নারীদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করছে এবং সুকৌশলে বিয়ে করে ধর্ষণের বিচারের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে ।
এবং তারপর
রথযাত্রা, জন্মাষ্টমী, দুর্গাপুজো তে হাজার হাজার হিন্দু মালাউন সারা বাংলাদেশে রোড শো এবং লাখ লাখ টাকা খরচ করে পান্ডেল ও আলোক সজ্জা করে পৃথিবীর মানুষ কে বলছে, আমরা বাংলাদেশী মালাউন হিন্দু, আমরা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় এনেছি ।
ওয়াক থু ----- মালাউন হিন্দু
বিশ্বজিতের আত্মা তোমাদের অভিশাপ দিক
তোমারা যতবার নৌকা নৌকা করবে
ততবারই মরবে !
ধীক্কার ছাড়া আমার হাতে আরতো কিছু নেই ।কিন্তু,
আজও বুঝতে পারলাম না,
বিশ্বজিৎ কে এরা কেন এমন নির্মম ভাবে নির্দয় ভাবে পিটিয়ে মারলো।
এর কোনো বিচারের কথাও শুনতে পাইনি।
'মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১১ জন পলাতক রয়েছেন। বাকি আটজন কারাগারে আছেন। আসামিদের সবাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন...
সারাবিশ্ব বিশ্বজিৎ নামের সেই মালাউনকে কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যার ভিডিও ফুটেজটি দেখেছে।আর কি প্রমান লাগে অপরাধীদের শাস্তি দিতে??
প্রথমে নিম্ন আদালত ৮ জনকে ফাঁসি দিয়েছিল যার মধ্যে দুজন ছিল পলাতক। এখন হাইকোর্ট গ্রেপ্তারকৃত ৬ জনের ফাঁসি মওকুক করে দিয়েছে ।২ জন বেকসুর খালাস।ফাঁসি দিয়েছে সেই দুজনকে যারা পলাতক।আদৌ কখনো কি খুঁজে পাওয়া যাবে তাদের?
এই ছবি গুলিতে দেখা যাচ্ছে বিশ্বজিৎকে কোপাচ্ছে ৮-১০ জন যবন ছাত্রলীগ নেতা- কর্মী।৫ বছর অপেক্ষার পর প্রহসনের বিচার ব্যবস্থার চুড়ান্ত রায়ে ২ জনের ফাসির রায় দেওয়া হলো।আর সব থেকে অবাক করা ব্যাপার পুলিশলীগ ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারে নি। এই দায় নিয়ে তো পুলিশের মাতাল আইজিপির গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা উচিৎ ছিলো।যে সকল হিন্দু এখনো আওয়ামি লীগের জয়গান গাচ্ছে তাদের জন্ম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে । আর আমি আরেকটি ১৫ই আগষ্ট চাই মনে প্রাণে ।এই চাওয়াতে আমার ফাসি হলেও আফসোস নাই । যেহেতু দেশ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর চেয়েও খারাপ অবস্থায় চলছে ।ভিডিও ফুটেজ দেখে যদি বিশ্বজিতের হত্যার দায়ে শুধু ২ জনকেই ফাঁসি দেওয়া হয় বাকি খুনিরা কেন খালাস পেলো? নিম্ন আদালতের রায় যদি এভাবেই বাতিল হয়ে যায় মানুষ সু-বিচার কোথায় পাবে প্রধান বিচারপতি সাহেব?
সাজা কমিয়ে মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন এবং মীর মো. নূরে আলম লিমনকে।
আর সাইফুল ইসলাম এবং কাইয়ুম মিঞা টিপুকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দেয়া হয়েছে!
যে কোন হত্যাকান্ডের রায় দেওয়া হয় হত্যাকারীর হত্যা করার মোটিভ দেখে,রায়ে কিন্তু স্পষ্ট ২ জন ফাসি বাকিরা যাব্বজীবন।
পৃথিবীর তাবৎ নপুংসক কাপুরুষ জাতি এই হিন্দু জাতি ।এদের পথে ঘাটে ধরে ধরে কোপাচ্ছে
ঘর বাড়ি সহায় সম্পত্তি দখল হয়ে যাচ্ছে
নারীদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করছে এবং সুকৌশলে বিয়ে করে ধর্ষণের বিচারের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে ।
এবং তারপর
রথযাত্রা, জন্মাষ্টমী, দুর্গাপুজো তে হাজার হাজার হিন্দু মালাউন সারা বাংলাদেশে রোড শো এবং লাখ লাখ টাকা খরচ করে পান্ডেল ও আলোক সজ্জা করে পৃথিবীর মানুষ কে বলছে, আমরা বাংলাদেশী মালাউন হিন্দু, আমরা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় এনেছি ।
ওয়াক থু ----- মালাউন হিন্দু
বিশ্বজিতের আত্মা তোমাদের অভিশাপ দিক
তোমারা যতবার নৌকা নৌকা করবে
ততবারই মরবে !
ধীক্কার ছাড়া আমার হাতে আরতো কিছু নেই ।কিন্তু,
আজও বুঝতে পারলাম না,
বিশ্বজিৎ কে এরা কেন এমন নির্মম ভাবে নির্দয় ভাবে পিটিয়ে মারলো।
এর কোনো বিচারের কথাও শুনতে পাইনি।

EmoticonEmoticon