মুখোমুখি উত্তর—দক্ষিণে দুই ভাইয়ের ঘর, ঘর আলাদা হবার সাথে সাথে বাড়ীর সমস্ত গাছ ও ভাগাভাগি হয়েছিলো৷ ছোট ভাইয়ের পেয়ারা গাছ থেকে বড় ভাইয়ের মেয়ে একটা পেয়ারা পেড়েছিলো, পেয়ারা ছিঁড়া নিয়ে প্রথমে তর্কবিতর্ক তারপর তুমুল ঝগড়া এক পর্যায়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয় ৷
এই ঘটনার জের ধরে বড় ভাই -ছোট ভাইকে ভর দুপুরে স্কুল মাঠে একা পেয়ে টেনে হিচড়ে স্কুল রুমের মধ্যে নিয়ে নিজ হাতে ছোট ভাইয়ের দু চোখ উপড়ে নিয়ে নেয় ৷
তারপর বাড়ি ফিরে আসে ছোট ভাইকে ঐ অবস্থায় ফেলে রেখে৷
এরপর পরিস্থিতি ক্ষমতার বাইরে দেখে,থানা পুলিশের ভয়ে দুই বাচ্চা সহ নিজ স্ত্রী কে সঙ্গে নিয়ে ভারত পালিয়ে যায় ৷
তারপর বাড়ি ফিরে আসে ছোট ভাইকে ঐ অবস্থায় ফেলে রেখে৷
এরপর পরিস্থিতি ক্ষমতার বাইরে দেখে,থানা পুলিশের ভয়ে দুই বাচ্চা সহ নিজ স্ত্রী কে সঙ্গে নিয়ে ভারত পালিয়ে যায় ৷
দীর্ঘ ১৮/১৯ বছর পর ৬ সন্তানকে নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসেন সেই পরিবারটি ৷
এই পরিবারটি-ই আমার শ্রদ্ধেয় ননদ আর দুলাভাই!
এই পরিবারটি-ই আমার শ্রদ্ধেয় ননদ আর দুলাভাই!
ফোনে যখন তাকে আমি ফোনালাপ রেকর্ডের কথা বলে এবং বাড়ীর দায়ীত্ব দিতে বলি তখনও সে আমাকে স্ট্রেইট দায়িত্ব দিবে না বল্লো ৷
তখন আমি তাকে বল্লাম পরের মাসে ভাড়া তুলতে এলে আমি এলাকার গন্যমান্য লোক এক জায়গায় করে বিচার বসাবো, প্রয়োজনে থানায় ও যাবো৷
সে তখন প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়, এবং পরদিন খুব ভোরে সে আবার গ্রাম থেকে সাভারে আমাদের বাসায় ছুটে আসে ৷
সবার সামনে আমার আম্মুর পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করে ৷ এবং খুব অনুরোধ করে আমি যেন তার ঐ সব ফোনালাপ কাউকে না শুনাই ৷
দুলাভাই আমার আব্বুর চেয়েও বয়সে অনেক বড়, সে ভারত থেকে আসার পর সব সময় জুব্বা/পাঞ্জাবী পরতেন দেন মুখ ভর্তি দাড়িও রেখেছিলেন, তার মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন যদি এই বয়সে এমন বাজে বিষয় নিয়ে জানাজানি হয় তাহলে তার সম্মান থাকবেনা, এসব বলেই আম্মুর কাছে ক্ষমা চাইলেন ৷
আম্মু তাকে আশ্বাস ও দিলেন যে আমি ওসব কাউকে কিছু বলবো না ৷
তখন আমি তাকে বল্লাম পরের মাসে ভাড়া তুলতে এলে আমি এলাকার গন্যমান্য লোক এক জায়গায় করে বিচার বসাবো, প্রয়োজনে থানায় ও যাবো৷
সে তখন প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায়, এবং পরদিন খুব ভোরে সে আবার গ্রাম থেকে সাভারে আমাদের বাসায় ছুটে আসে ৷
সবার সামনে আমার আম্মুর পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করে ৷ এবং খুব অনুরোধ করে আমি যেন তার ঐ সব ফোনালাপ কাউকে না শুনাই ৷
দুলাভাই আমার আব্বুর চেয়েও বয়সে অনেক বড়, সে ভারত থেকে আসার পর সব সময় জুব্বা/পাঞ্জাবী পরতেন দেন মুখ ভর্তি দাড়িও রেখেছিলেন, তার মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন যদি এই বয়সে এমন বাজে বিষয় নিয়ে জানাজানি হয় তাহলে তার সম্মান থাকবেনা, এসব বলেই আম্মুর কাছে ক্ষমা চাইলেন ৷
আম্মু তাকে আশ্বাস ও দিলেন যে আমি ওসব কাউকে কিছু বলবো না ৷
এরপর দুলাভাই বাড়ী ফিরে গিয়ে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েন ৷
মেয়ের বাবা যখন আমাকে ফোন করেন তখন আমি তাকে প্রচন্ড ভয় দেখাই ৷ ছয় ভাইয়ের একটা মাত্র বোন, বোন সবার বড় হলেও ছোট ভাইদের নয়নের মনি ছিলো৷ তার সংসারের কর্তা কে নিয়ে যখন মামলার কথা বল্লাম সেও বেশ ভয় পেয়েছিলো৷
এবং মুহুর্তেই তাদের বাড়ীতে ফোন করে বিষয়টি বলে দিলো ৷
এরপর থেকে মেয়ের ফুপু বারবার আমাকে ফোন দিতো যেন আমি এমন কিছু না করি ৷
মেয়ের বাবা যখন আমাকে ফোন করেন তখন আমি তাকে প্রচন্ড ভয় দেখাই ৷ ছয় ভাইয়ের একটা মাত্র বোন, বোন সবার বড় হলেও ছোট ভাইদের নয়নের মনি ছিলো৷ তার সংসারের কর্তা কে নিয়ে যখন মামলার কথা বল্লাম সেও বেশ ভয় পেয়েছিলো৷
এবং মুহুর্তেই তাদের বাড়ীতে ফোন করে বিষয়টি বলে দিলো ৷
এরপর থেকে মেয়ের ফুপু বারবার আমাকে ফোন দিতো যেন আমি এমন কিছু না করি ৷
দুলাভাই সেই বাড়ীর দায়ীত্ব দিয়ে দিলেন মেয়ের অন্য এক কাকা কে ৷ সেও প্রতি মাসে গ্রাম থেকে এসে ভাড়া তুলে নিয়ে যেতেন ৷
কিন্তু তখন আমার জেদ আরো বেড়ে গেলো একবার যেহুতু বলেছি ও বাড়ী দখল নিবো যে ভাবেই হোক আমি নিবোই ৷কোন ভাবেই যখন কাজ হলো না ৷ তখন এলাকার এক মামাকে (যাদের থেকে আব্বু জমি ক্রয় করেছিলেন) সব খুলে বল্লাম দেন মামাকে বল্লাম যে করে হোক বাড়ীর দখল আমি চাই, মামা বল্লেন হয়ে যাবে তুমি শুধু আগামী মাসের ভাড়া তুলে আমাদের নতুন ক্লাবে কিছু চেয়ার কিনে দিবে৷
আমি সম্মতি জানালাম ৷ দুদিন পর মামা স্থানীয় সম বয়সি পঞ্চাশজনের একটা দল গিয়ে প্রতিটি ভাড়াটিয়ার সাথে কথা বলেন ৷
ভাড়াটিয়ারা সবাই আমাকে চিনতো তাই সবাই মেনে ও নিলো, আপত্তি জানালো একজন! যে ছিলো কেয়ারটেকার৷
মামা তাকে অনেক্ষন বুঝালো তবে কোন কাজ হলো না ৷
মামা প্রথমেই সবাইকে ডেকে বলেছিলো যারা তার কথা মেনে নিবে তারাই ও বাড়িতে থাকতে পারবে, যারা মানবেনা তারা বাসা ছেড়ে দিবে ৷
কেয়ারটেকার ফেমেলীটা যখন খুব বাড়াবাড়ি করছিলো তখন মামা সঙ্গের কয়েকজন কে বল্লো তাদের বাসার সমস্ত জানিসপত্র বাইরে বের করে ফেলতে ৷
সঙ্গে সঙ্গে তাই করা হল ৷
এরপর মামা আমাকে বল্লেন ভাগ্নি তুমি দু একদিনের মধ্যেই এই বাসায় উঠে যাও৷
আর কোন সমস্যা হলে তো আমি আছিই.........
কিন্তু তখন আমার জেদ আরো বেড়ে গেলো একবার যেহুতু বলেছি ও বাড়ী দখল নিবো যে ভাবেই হোক আমি নিবোই ৷কোন ভাবেই যখন কাজ হলো না ৷ তখন এলাকার এক মামাকে (যাদের থেকে আব্বু জমি ক্রয় করেছিলেন) সব খুলে বল্লাম দেন মামাকে বল্লাম যে করে হোক বাড়ীর দখল আমি চাই, মামা বল্লেন হয়ে যাবে তুমি শুধু আগামী মাসের ভাড়া তুলে আমাদের নতুন ক্লাবে কিছু চেয়ার কিনে দিবে৷
আমি সম্মতি জানালাম ৷ দুদিন পর মামা স্থানীয় সম বয়সি পঞ্চাশজনের একটা দল গিয়ে প্রতিটি ভাড়াটিয়ার সাথে কথা বলেন ৷
ভাড়াটিয়ারা সবাই আমাকে চিনতো তাই সবাই মেনে ও নিলো, আপত্তি জানালো একজন! যে ছিলো কেয়ারটেকার৷
মামা তাকে অনেক্ষন বুঝালো তবে কোন কাজ হলো না ৷
মামা প্রথমেই সবাইকে ডেকে বলেছিলো যারা তার কথা মেনে নিবে তারাই ও বাড়িতে থাকতে পারবে, যারা মানবেনা তারা বাসা ছেড়ে দিবে ৷
কেয়ারটেকার ফেমেলীটা যখন খুব বাড়াবাড়ি করছিলো তখন মামা সঙ্গের কয়েকজন কে বল্লো তাদের বাসার সমস্ত জানিসপত্র বাইরে বের করে ফেলতে ৷
সঙ্গে সঙ্গে তাই করা হল ৷
এরপর মামা আমাকে বল্লেন ভাগ্নি তুমি দু একদিনের মধ্যেই এই বাসায় উঠে যাও৷
আর কোন সমস্যা হলে তো আমি আছিই.........

EmoticonEmoticon