১.নুসরাত হত্যার প্রথম নির্দেশ দেন ধর্ষক প্রিন্সিপাল সিরাজ।
২. হত্যাকান্ডে খরচের জন্য একজন মাদ্রাসা শিক্ষক (I repeat শিক্ষক) দেয় ৫ হাজার টাকা।
৩. বোরখা, কেরোসিন এসব কেনার জন্য একজন জনপ্রতিনিধি(পৌর কাউন্সিলর মকছুদ) দেয় ১০ হাজার টাকা।
৪.আগুন লাগানোর পর থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি রুহুল আমিনকে যখন ফোনে জানানো হয় পুড়ানো কমপ্লিট- তখন তিনি শান্ত গলায় বলেন, "আমি জানি, তোমরা চলে যাও"
৫. রুহুল আমিন অভয় দেন থানা পুলিশ প্রশাসন ম্যানেজ করার দায়িত্ব তার।
৬. তদনুসারে শরীরের আশি ভাগ পুড়ে যাওয়া নুসরাত যখন তার বান্ধবীরাসহ কয়েকজন মিলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে, তখন ওসি মোয়াজ্জেম বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াতে এটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টা শুরু করে।
৭. জেলাপ্রশাসককে জানানো হয়েছিল, স্মারকলিপি দেয়া হয়েছিল তার জীবনের উপর হুমকির কথা জানিয়ে- প্রশাসন কোন সাড়াই দেয়নি।
সাধারন একটা মেয়ে। তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার করে তা আবার তামাদি করে দেবার জন্য প্রশাসন-পুলিশ-জনপ্রতিনিধি-রাজনৈতিক নেতা-অধ্যক্ষ-শিক্ষক কেমন সুনিপুন অর্কেষ্ট্রার মতো কাজ করে গেছে!
এ কেমন শ্বাপদের দেশ আমার আজকের বাংলাদেশ!
এ কেমন শুয়োর ইতরদের দেশ এ বাংলাদেশ!
EmoticonEmoticon