বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৭

অবাক কথন

বিখ্যাত ইসলামি ঔপন্যাসিক কাশেম বিন আবু বাকারের বইয়ের কয়েকটি লাইন । যারা ওনার বই পড়েননি তাদের জন্য ।

১। গান গাওয়া হারাম, তবে উর্দু গজল গাওয়া যেতে পারে।”
২। বিয়ের আগে বেগানা পুরুষের সাথে ঘোরাফেরা করা ঠিক না, তবে আপাদমস্তক বোরকা পরে প্রেম করা হালাল।

৩। চেয়ার টেবিলে বসে খাওয়া আর চলবে না যেহেতু রাসুলুল্লাহ (সঃ) মেঝেতে দস্তরখানা বিছিয়ে খেতেন।

৪। আনন্দ প্রকাশের জন্য হাততালি দেয়া মুসলমানদের রীতি না, আনন্দ প্রকাশের জন্য বলতে হবে মারহাবা, মারহাবা অথবা সুবহান আল্লাহ।

৫। পুরুষদের রাত জেগে কারো সেবা করা ঠিক না, এতে শরীর ভেঙ্গে যায়। এই কাজের জন্য আল্লাহপাক মেয়েদের সৃষ্টি করেছেন।

৬। বিয়ের আগে চাকরী করলেও বিয়ের পর মেয়েদের চাকরী করা ইসলাম সম্মত না। বিয়ের পর একমাত্র কাজ স্বামীর সেবা করা।

৭। অবিবাহিত অবস্থায় কোন লম্পটের পাল্লায় পড়ে শ্লীলতাহানি হলেও, পরে ওই লম্পটকে খুঁজে স্বামী হিসাবে গ্রহণ করাই মেয়েদের জন্য মঙ্গল।

৮। শফিক বিসমিল্লাহ বলে শফিকুনের ঠোঁটে কিস করা শুরু করলো।
আপনি শরিফ ঘরের মেয়ে। আপনার জন্য আল্লাহপাক আমাকে কবুল করুন। আমিন।
সুবাহানাল্লাহ। আপনার মতো সুপুরুষ আমি জন্মের পর থেকেই আশা করেছিলাম।” এই বলেই সে স্বামীকে জড়িয়ে ধরলো।
রফিকুন বোরখা পরে ডেটিং-এ যায়। কারণ বোরখা ছাড়া ডেটিং নাজায়েজ।
শাকিলা তার স্বামীকে বললো, “বাসর রাতে কি করতে হয় আমি জানিনা। আমাকে শিখিয়ে দাও না গো।
শাকিল বললো, “ও আমার প্রাণের সখী। আল্লাহপাক তোমাকে কেনো এতো রূপবতী বানালেন?
ও গো! তোমার স্থান আমার পায়ে নয় বুকে। এই বলে সে স্ত্রীকে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরলো।
হাততালি দেওয়া ইহুদিদের কাজ। আমরা বলবো “মারহাবা, মারহাবা।
এই যাও! আমার লজ্জা লাগে না বুঝি!” এই বলে আকলিমা শাড়ি ধরে রাখার চেষ্টা করলো। কিন্তু পারলো না।
বাসর রাত আল্লাহর নিয়ামত। এই রাতে লজ্জা পেতে নেই গো আমার প্রাণ সজনী।

"শেষমেষ তারা শরিয়ত মোতাবেক স্বামী-স্ত্রীর মধুর মিলনে মেতে উঠলো।"
আরোও দেখুন
http://www.sachalayatan.com/udash/55503

1 মন্তব্য(গুলি) so far

আপনার মন্তব্য লিখুন...সত্যই অবাক হইছি।


EmoticonEmoticon