সত্যকে সত্য বলতে শিখেছি বামপন্থি রাজনীতির চেতনায়,সত্যের গলা টিপে হত্যার প্রচেষ্টা বৃথা,যারা মিথ্যাকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন,দুর্নীতিবাজকে রক্ষার জন্য সাময়িক স্বার্থ হাসিলের জন্য আদর্শকে বিকৃত করছেন,তাদের জন্য মনে রাখা উচিত একটি প্রতারক ব্যাক্তির জন্য কতগুলো নক্ষত্র হারাচ্ছেন তা গভীর ভাবে ভাবা উচিত,আমাদের রাজনীতিটা শোষিত মানুষদের পক্ষে তাদের অধিকার রক্ষার জন্য করি।কোন স্বার্থন্বেষী ব্যাক্তি বিশেষের জন্য নয়।আর যদি তাই হয় তাহলে বামপন্থা রাজনীতি করার কোন মানে দেখি না,যেখানে নিরহ গরীব মানুষগুলো লুন্ঠিত,প্রতারিত,শোষিত হয় কোন বামপন্থী নেতার কাছে,তখন তার বিচার, কঠিন বিচার করার দায়িত্ব এসে যায় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের কাছে।সাধারণ জনগন দেবতা ভেবে তাকিয়ে থাকে ঐ বড় বড় নেতাদের মুখের দিকে,তারপরও যদি বিচার না পায়,ন্যায় বিচার না করা হয়,তারপর গরীবের অভিশাপ আর বুক ভাঙ্গা কান্নার অশ্রু জ্বলের প্রতিক্রিয়া নেতাদের একদিন জন শূন্যতায় নিয়ে যাবে,এটা নিশ্চিত।আমরা অনেক কষ্ট করে জীবন ও মৃত্যুর সাথে লড়াই করে সংগঠন কে ঠিকিয়ে রাখি,বর্তমান সময়ে বুর্জোয়া লুটেরাদের সাথে লড়াই করে একজন বামপন্থি যুবক কে, উগ্র মৌললবাদিদের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হয়।আমাদের কষ্ট আর মনের কথা গুলো কেউ বুঝতে চায় না।পেটের জালায় প্রতিদিন হতাশ,তবুও নিজের হাঁড়ির ভাত কেটে কর্মিদের সংগঠনে ঠিকিয়ে রাখি, আমাদের বড় নেতাদের রাজপথে মিছিল,মিটিং,সভা সমাবেশ করে পাহাড়া দেয় আমরা,আর আমাদের কোন মূল্যায়ন নেই।এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।নেতাকে অবশ্যই কর্মি বান্ধব হতে হবে।
বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
EmoticonEmoticon