আবু তৈয়ব হাবিলদার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আবু তৈয়ব হাবিলদার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

রাষ্ট্রচিন্তার রাষ্ট্রনৈতিক পটভূমিকা ।।

স্পেন। কাদিজ স্পেনের একটি প্রাচীন রাজ্য। চরম অত্যাচারী রাজশাসনের বিরুদ্ধে কাদিজ জনগনের দীঘ লড়াই,সংগ্রাম ও বিদ্রোহের পরে কাদিজবাসী সিদ্ধান্ত নেন,
এই স্বেচ্ছাচারী রাজতন্ত্রের বিপরীতে
কিছু একটা বিকল্প ব্যবস্থা দাড় করাতে হবে।
কাদিজ জনগোষটীর রাজনৈতিক
সচেতন ব্যক্তিরা একজোট হয়ে সাধারন জনগনের সাথে দীঘ আলাপ আলোচনার
মাধ্যমে তারা একটি জনগনতান্ত্রিক সংবিধান রচনা করে ফেললেন
১৮১২ সালে।

কাদিজ জনগন ঐক্যবদ্ধ তীব্র গনআন্দোলন শুরু করলেন রাজার বিরুদ্ধে।
জনদাবি একটাই। যে সংবিধান তারা
রচনা  করেছেন সেই সংবিধান অনুযায়ী রাজাকে দেশ চালাতে হবে,
না হলে রাজাকে দেশ ছাড়তে হবে।
জন বিস্ফোরনের মুখে পড়ে রাজা বাধ্য হন জনগনের রচিত সংবিধান অনুযায়ী দেশ শাসনে।
জনগনের চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে রাজা মশায় কিছুদিন সেই সংবিধানের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করে। কিছুকাল সেইভাবে দেশ শাসনের পর রাজা পুনরায় স্বেচ্ছাচারি শাসন শুরু করে দিলেন।

আবার জনবিদ্রোহ-সংগ্রাম শুরু হলো, দীঘ আন্দোলনের পর রাজা মসনদ ছেড়ে  দেশ থেকে পালিয়ে প্রাণ বাচালেন।

১৮২০ সালে কাদিজের জনগন,
পালিয়ে যাওয়া রাজাকে খবর পাঠালেন
ও বললেন,
মান্যবর রাজা-আপনি যদি ১৮১২ সালে কাদিজ জনগনের রচিত জন-গনতান্ত্রিক সংবিধান মেনে চলেন এবং সংবিধানুযায়ী দেশ চালাতে সম্মত থাকেন,তাহলে কাদিজে আপনাকে আবার ফিরিয়ে আনবো। নতুবা আমৃত্যু নির্বাসনে থাকতে হবে পরদেশে।
কাদিজবাসির আহবানে সাড়া দিয়ে,
জনগনের দাবী শতভাগ মেনে নিয়ে, অবশেষে দেশে ফিরে রাজা মশায়।

রাজা সবীকৃত হলেন এবং স্পেনের কাদিজে ফিরে এসে প্রকাশ্যে জনসম্মুখে
ঘোষনা করলেন-
আমি ইতিপূবে যা করেছি সব ভুল করেছি,আমি আমার দেশের জনগনের কাছে ক্ষমা প্রার্থি।

তিনি আরো ঘোষনা করলেন যে,
আমি আমার প্রিয় স্পেনের কাদিজ জনতার রচিত সংবিধান অনুযায়ি দেশ পরিচালনা করিব এবং করিতে বাধিত থাকিব।
দেশ পরিচালনায় আমার ন্যুনতম কোন ভুল ভ্রান্তি হইলে আপনারা আমাকে শোধরিয়ে দিবেন। আমি জনগনের কাছে সব সময় বাধিত থাকিব।
১৮২০ সাল। কাদিজ,স্পেন।

প্রশ্ন: (১)
১৮১২ সালে স্পেনিয় কাদিজ জনগোষটী
যদি একটি জনগনতান্ত্রিক সংবিধান রচনা করিতে পারেন,আমরা কেন পারিব না?
প্রশ্ন: (২)
১৮২০ সালে কাদিজের বিপ্লবী জনতা
অনেক অত্যাচারের শিকার হয়ে,
দীঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে জনগনতান্ত্রিক সংবিধান রচনা করে, শাসককে সেই সংবিধান মেনে নিতে বাধ্য করতে পারেন এবং সুশাসন প্রতিষ্টা করতে পারেন।
আমরা কেন জনগনতান্ত্রিক সংবিধান রচনা ও সেই জনগন কতৃক রচিত সংবিধানের ভিত্তিতে দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবো না?

অসমাপ্ত-১

সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

প্লিজ সবাই একবার ভাবুনতো কি করবেন ?

ফেনিসিডিল+ইয়াবা
আমাদের শত্রু রাষ্ট্র ভারত ও মিয়ানমার
এবং জাতির শত্রু বাস্টার্ড রাজনীতিবিদ ও অপ রাজনীতি।

৮০ দশক থেকে ২০০০ তক ভারত বাংলাদেশের প্রতিবাদী তারুন্যকে ফেনিসিডিল খাওয়াইয়া নেশায় বুদ বানিয়ে আমাদের তারুণ্যের প্রবল সম্ভাবনাকে ধংস করে দিয়েছে।
২০০০ থেকে ২০১৭ তক মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মকে মরন নেশায় আসক্ত করে দিয়ে বাংলাদেশের তারুন্য সম্ভাবনাকে ধংসের দারপ্রান্তে এনে দাড় করিয়ে দিয়েছে।

ভারত আর মিয়ানমারের একটি পলিসি
হলো-"একটা দেশকে ধবংস করতে হলে তার তারুন্যকে যে কোনভাবে ধ্বংস করে দাও"।
সেই পলিসিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের দুই শত্রুরাষ্ট্র বাংলাদেশে শতভাগ সফল। আর এই দু শত্রু রাষ্ট্রের বাংলাদেশ বিধ্বংসী পলিসি বাস্তবায়নে মুখ্য ভুমিকা পালন করেছে জাপা,বিএনপি,
আওয়ামীলীগ এবং তাদের দুই জট মানে জোট।
এই বিশ্বাসঘাতক জাতির শত্রু রাজনীতিবিদেরা আমাদের টাইগার সম্ভাবনাকে অনেকটা নষট ও শেষ করে দিয়ে বেশ আরামে দেশে বসবাস ও বুক ফুলিয়ে অপরাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে।
জনগন নির্বিকার।

বিগত ৩৫ বছর ধরে দেশের চলমান চরম নৈরাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তরুনদের যে প্রতিবাদহীনতার সংস্কৃতি দৃশ্যমান, তার জন্য মরন নেশা ফেনিসিডিল ও ইয়াবার ভুমিকা প্রধান বলে আমি মনে করি।

শত্রুরাষ্ট্র ২টি শত্রুতা করবে স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের বিশ্বাসঘাতক রাজনীতি,রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী,বিএনপি,জাতীয় পাটি,জামায়াতসহ তাদের তল্পিবাহী চামচা দলেরা মিলে দেশ ও জাতির সাথে যে জাতীয় প্রতারনা করলো,করেই যাচ্ছে,

১) এর অবসানে আমাদের করনীয় কিছুই কি নেই?
২) আমরা কি তারুন্য,সমাজ,দেশ ও জাতি ধবংসের বিরুদ্ধে ঘুরে দাড়াবোনা?
৩) আমরা কি আমাদের সন্তানদের এই অনিরাপদ বাংলায় হিংস্র জানোয়ারদের কবলে রেখে কবর,শ্মশানে ঘুমাবো?

রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বাংলাদেশ কোন দেশের চিরস্থায়ী এতিমখানা ও লংগরখানা নয়

রোহিংগা ইস্যু নতুন ইস্যু নয়।
ইতিপূর্বে ১০ লক্ষাধিক রোহিংগা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল। শরনাথি ক্যাম্পে যত ছিল তার ৩গুন বেশি সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে,

ইতিপুবে ২ লক্ষের উপরে রোহিংগা বাংলাদেশি পাসপোট নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে গেছে।
এবার অফিসিয়ালি যোগ হয়েছে
৫ লক্ষ। আসলে এ সংখ্যা দ্ধিগুন।
আদম ব্যাপারি ও আগের রোহিংগাদের সহায়তায় সারা চিটাগাং বিভাগসহ দেশের নানা প্রান্তে অবস্থান নিয়েছে। যত রোহিংগা আগে এসেছিল তাদের প্রতি পরিবারে জন্ম নেয়া নতুন সদস্য সংখ্যা কমে ৫-৭ জন। (আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন আগত রোহিংগা গভবতী নারীদের সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার।) যে কেউ শরনাথি শিবিরে গেলে দেখতে পাবেন, প্রতি
পরিবারে ১ মাসের বাচ্চা থেকে শুরু করে ২০ বছরের তরুন দেখতে পাবেন ৫ থেকে ৭ জন।  তার মানে সত্যিকার হিসাব যা বলা হয়েছে তার ৩ থেকে ৪ গুন বেশি।
আমার প্রস্তাবনা হলো,
১) বিভিন্ন সময়ে আসা রোহিংগাদের জন্য একটি চিরুনি আদম শুমারি করা হউক।
২) বাংলাদেশি পাসপোট নিয়ে যারা বিদেশ পাড়ি দিয়েছেন তাদেরকে চিন্নিত করে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেয়া হউক।
৩) চিটাগং বিভাগসহ দেশে বিদেশে ছড়িয়ে থাকা রোহিংগাদের এনে,তাদের জন্য টেকনাফে একটি নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তোলা হউক এবং তাদেরকে সরকারি উদ্যোগে (সবল্প মেয়াদে ১ বছর) সশস্ত্র ট্রেনিং ও সাবিক সহায়তা দিয়ে পুশ ইন হওয়াদের মায়ান্মারে পুশ ব্যাক করা হউক। যাতে তারা স্বাধিকারের লড়াই চালিয়ে যেতে পারে।
আমার এই পোস্টের জন্য কোন বন্ধু আমাকে রোহিংগাদের ব্যাপারে বেশি মানবিকতার জ্ঞান দিতে আসবেন না। আমি চিটাগংয়ের মানুষ। রোহিংগাদের আমরাই দীঘদিন ধরে প্রথম থেকে তাদেরকে ৩৫ বছর ধরে স্থান,রুটি,রুজির যোগান দিয়ে আসছি-মানবতার খাতিরে।
আমরা বুঝি এর সুখ:দুখ:কি?

পরিশেষে বলতে চাই,
আজকের রোহিংগা সংকট এর জন্য আমাদের সকল ক্ষমতাসিন রাজনৈতিক দল ও সরকার শতভাগ দায়ী। কোন সরকার এ যাবত তাদের ফেরত পাঠাতে ন্যুনতম কোন  কাযকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেনি,পুশ ব্যাক করার চেষটাও করেনি। বরঞ্চ রোহিংগাদের নিয়ে রাজনৈতিক খেলায় মেতেছে সবাই, এখন থেকে একজন নোবেল নেয়ার জন্য লবিংও শুরু  করে দিয়েছেন রীতিমত।
যার ফল আজকের রোহিংগাদের অমানবিক পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের জন্য গুরুতর নিরাপত্তা সংকট তৈরী করেছে।

আন্তজাতিক(বিশ্বকাপ ফুটবলের) খেলার  ফুটবলের নাম রোহিংগা-েষটডিয়ামের নাম বাংলাদেশ,ম্যাচ খেলছে আমেরিকা,চীন,ভারত,রাশিয়াসহ সকল বাঘা বাঘা খেলোয়াড়রা।
এই খেলা এখনি বন্ধ করার জন্য দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রতি সরকার ও প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে চাপে ফেলার আহবান জানাচ্ছি।

আমি স্পষ্টত ঘোষনা করছি----
বাংলাদেশ কোন দেশের চিরস্থায়ী  এতিমখানা ও লংগর খানা নয়।

আমরা ৩০ লক্ষ শহীদের বাংলাদেশকে
আগামী বিশব শক্তির খেলার মাঠ বানাতে দেবনা,না,না,না।

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

মনুষ্য পরিচয়ে পৃথিবীর সকল মজলুম মানুষের পাশে দাড়ান ।

নিযাতিত রোহিংগারা মুসলিম,
ইয়েমেনিরা মুসলিম নয়।
সিরিয়ানরা,সুদানিরা,ফিলিস্তিনিরা,
কাশ্মিরিরাও নন,
রোহিংগাদের জন্য আপনার মন কাধে,আমার ও।
কিন্তু যেভাবে রোহিংগা মুসলিমদের জন্য কাঁদছি,সেভাবে আমরা ইয়েমেন,সিরিয়া,সুদান,কাস্মিরি মুসলমান্দের জন্য কান্না,প্রতিবাদ করছিনা কেনো?
কারন ইয়েমেন,সিরিয়ার জন্য কাদলে,প্রতিবাদ করলে সৌদি ও আরব্য রাজাদের ডলার বন্ধ হয়ে যাবে-
মোললারদল,জামাতি,ক্ষমতাসিন,
ক্ষমতাহিন দলগুলোর।
কাশ্মীরের জন্য প্রতিবাদ হবেনা,কেউ করেনি,করবেনা-
দাদা বাবুরা নাখোশ হবে,রুপী পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
এত জাতি চেতনা থাকলে,মুস্লিম প্রেম থাকলে একবার আসুন না-একবার
বায়তুল মোকাররমের উত্তর,দক্ষিন গেইটে "রোহিংগা-ইয়েমেন-কাশ্মির" এর নিযাতিত মুসলিমের জন্য লাখো মুসলিম জনতার সমাবেশের ডাক দেই।
একই দিনে মায়ানমার,সৌদি,ভারতীয় দুতাবাস ঘেরাও কম্মসুচি ঘোষনা দেই।

আমার এই চ্যালেঞ্জ নেয়ার মতো সাবালক কোন মুসলিম দরদী কেউ কি আছেন এই বাংলায়?
সাম্প্রদায়িক পরিচয়ে নয়,মনুষ্য পরিচয়ে
পৃথিবীর সকল মজলুম মানুষের পাশে দাড়ান।

মনুষ্য পরিচয়ে পৃথিবীর সকল মজলুম মানুষের পাশে দাড়ান ।

নিযাতিত রোহিংগারা মুসলিম,
ইয়েমেনিরা মুসলিম নয়।
সিরিয়ানরা,সুদানিরা,ফিলিস্তিনিরা,
কাশ্মিরিরাও নন,
রোহিংগাদের জন্য আপনার মন কাধে,আমার ও।
কিন্তু যেভাবে রোহিংগা মুসলিমদের জন্য কাঁদছি,সেভাবে আমরা ইয়েমেন,সিরিয়া,সুদান,কাস্মিরি মুসলমান্দের জন্য কান্না,প্রতিবাদ করছিনা কেনো?
কারন ইয়েমেন,সিরিয়ার জন্য কাদলে,প্রতিবাদ করলে সৌদি ও আরব্য রাজাদের ডলার বন্ধ হয়ে যাবে-
মোললারদল,জামাতি,ক্ষমতাসিন,
ক্ষমতাহিন দলগুলোর।
কাশ্মীরের জন্য প্রতিবাদ হবেনা,কেউ করেনি,করবেনা-
দাদা বাবুরা নাখোশ হবে,রুপী পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
এত জাতি চেতনা থাকলে,মুস্লিম প্রেম থাকলে একবার আসুন না-একবার
বায়তুল মোকাররমের উত্তর,দক্ষিন গেইটে "রোহিংগা-ইয়েমেন-কাশ্মির" এর নিযাতিত মুসলিমের জন্য লাখো মুসলিম জনতার সমাবেশের ডাক দেই।
একই দিনে মায়ানমার,সৌদি,ভারতীয় দুতাবাস ঘেরাও কম্মসুচি ঘোষনা দেই।

আমার এই চ্যালেঞ্জ নেয়ার মতো সাবালক কোন মুসলিম দরদী কেউ কি আছেন এই বাংলায়?
সাম্প্রদায়িক পরিচয়ে নয়,মনুষ্য পরিচয়ে
পৃথিবীর সকল মজলুম মানুষের পাশে দাড়ান।

শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

২০০৯ থেকে২০১৭ কি পেলো বাংলাদেশ !

১) বিডিআর বিদ্রোহের নামে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও বিডিয়ারের মধ্যে শত্রুভাব তৈরী করে ভারতীয় সেবাদাসমুলক নতজানু বিজিবি গঠন
২) সাগর- রুনি হত্যার মাধ্যমে সাহসী
সাংবাদিকতার টুটি চেপে ধরার প্রক্রিয়া শুরু ও সম্পন্ন।
৩)শেয়ার বাজার লুট- লাখো লাখো মানুষকে রাস্তার ফকির বানিয়ে দেয়া।
৪) হলমার্ক কেলেংকারীর মাধ্যমে জনগনের সাড়ে ৪০০০ কোটি টাকা লুট।
৫) ডেসটিনি-ইউনি পে টু-স্পিক এশিয়া সহ বিভিন্ন MLM কোম্পানির মাধ্যমে কোটি জনগনের লাখো কোটি টাকা ইচ্ছেমাফিক লুটপাট।
৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লুট,বাংলাদেশ ব্যংকের সিকিউরিটি ভারতীয়দের কাছে হস্তান্তর।
৭) সুইস ব্যাংকে ৫০০০ কোটি টাকা পাচার
৮) দেশের ৭৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার ও হরিলুট
৯) সীমান্তে অসংখ্য ফেলানী হত্যায় মদদ
১০) রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি
১১) একেরপর এক ব্লগার হত্যাকান্ড
১২) সুরঞ্জিতের কালো বিড়াল এবং পদ্মা সেতুর আবুল হোসেন
১৩) অসংখ্য বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী ও সাধারন মানুষ গুম।
১৪) নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাতখুন
১৫) সারাদেশে অসংখ্য বিভিন্ন দলিয় নেতাকর্মী খুন
১৬) ৫ই জানুয়ারির বিতর্কিত জাতীয় নিবাচন।
১৭) ভারতকে বিতর্কিত ট্রানজিট,সকল স্থল নৌ বন্দর অনেকটা বিনাশুল্কে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান।
১৮) জাল জালিয়াতির রেকর্ড ভঙ্গকরে  স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
১৯) বিতর্কিত হেফাজতি শিক্ষানীতি প্রণয়ন
২০) সকল পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মহোৎসব।
২১) সংখ্যালগু নিযাতন ও বিদেশীদের উপর পরিকল্পিত হামলা
২২) সাদা পোষাকে গ্রেফতার করে হাজার হাজার মানুষককে ক্রসফায়ার ও গুম
২৩) কুমিল্লায় তনু হত্যাসহ লাখো ধষন হত্যা ও মদদ।
২৪) বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নিরমান
২৫) রামপালে বিতর্কিত বিদ্যুৎকেন্দ্র,সুন্দরবন ধংসযজ্ঞ ও ভারতের কাছে সমপন
২৬) কুইক রেন্টালের নামে বিদ্যুতে হরিলুট ও ১০ দফায় বিদ্যুতের অযৌক্তিক দাম বাড়িয়ে জনগনের পকেট ছিনতাই
২৭) দফায় দফায় গ্যাসের অযৌক্তিক
দাম বাড়িয়ে জনগনের বারবার পকেট মারা
২৮) ইয়াবা ব্যবসার বানিজ্যিক সম্প্রসারন করে দেশের তরুন সমাজকে ধ্বংস
২৯) দেশের সকল
বামপন্থি,মধ্যপন্থী,ডানপন্থীদের উপর চরম নিযাতন নিপীড়ন,নিষ্পেষণের মধ্য দিয়ে নৈরাজ্যবাদি ফ্যাসিবাদের রামরাজত্ব কায়েম
৩০) জঈী দমন ও দমনের নামে নাটকবাজি
৩১) দেশের পাহাড়ি,সাওতাল,দরিদ্র হাওড়বাসীদের উপর নিযাতনের স্টিম রোলার চালানো
৩২) সরকার ও আওয়ামী ছাত্রলীগের সরাসরি ও পৃসটপোষকতায় সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা। রামুর ঐতিহাসিক বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস থেকে নাসির নগর ও সাওতালদের উপর অমানুষিক,অমানবিক সাম্পদায়িক নিপীড়ন
৩৩) বিচার বিভাগ ধ্বংস করতে সাম্প্রতিক সুপ্রিমকোর্ট ও প্রধান বিচারপতির উপর নগ্ন ও জঘন্য হামলা।

কোনটা রেখে কোনটা বলি।
উন্নয়নের নামে কি এই ভয়াল দূঃশাসন?
ইতিহাসের কালো অধ্যায় ২০০৯-২০১৭ বাংলাদেশে মানুষ দেখেছে/দেখতেছে
আরো দেখবেন!!!
না সমাপ্তির পথ খুজবে বাংলাদেশ?