মুহাম্মদ সাগর হোসেন সবুজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মুহাম্মদ সাগর হোসেন সবুজ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১২ মে, ২০১৯

আমরা কি রকম ভাবে বেঁচে আছি একটি বার এসে দেখে যাও উন্নয়নবাদীরা।

রাস্তা হচ্ছে ব্রীজ হচ্ছে,কালভার্ট হচ্ছে,ফ্লাইওভার হচ্ছে,পদ্মা সেতুটাও এবার হয়ে যাচ্ছে । মহাকাশে স্যাটেলাইট উড়ছে। চারদিকে শুধু  উন্নয়ন আর উন্নয়ন। সবকিছুর উন্নয়ন হচ্ছে শুধু উন্নয়ন হচ্ছে না আমাদের কৃষকদের শ্রমিকদের। আজ শ্রমিক তার ন্যায্য মুজুরী থেকে বঞ্চিত আর কৃষক পায়না ফসলের ন্যায্য দাম।


কৃষক আগে ছিল একটি স্বতন্ত্র স্বত্তা। নিজের জমিতে অথবা অন্যের জমি লিজ নিয়ে নিজ উদ্যোগে ইচ্ছামতো ফসল ফলাতো ।তার পর ফসল উঠলে তা বাজারজাত করত। কিন্তু সেখানে তারা ফসলের ন্যায্য মুল্য পেত খুব কম সময়। কারন এই বাজার ব্যবস্থায় একটা সিন্ডিকেট থাকে যারা দাম নিয়ন্ত্রন করে। সেই সিন্ডিকেট টা হলো বড় বড় শিল্প কারখানার প্রতিনিধি বা দালাল। যেমন ধরুন প্রান কোম্পানী। এই কোম্পানী আটার প্যাকেট বিক্রি করে। কিন্তু আগে খোলা আটা পাওয়া যেত , তখনও সিন্ডিকেট ছিল। এখন প্রান কোম্পানী প্যাকেটজাত আটা বিক্রির জন্য তার চাই গম। এখন সে যদি কৃষকের নিকট থেকে গম ক্রয় করে তাহলে তার কেজি প্রতি গমের দাম দিতে হবে ধরি ৫ টাকা। কিন্তু তারপর সেটাকে প্রসেসিং করে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করলে দাম পাবে কেজি প্রতি ধরি ৩০ টাকা। এতে তার সবকিছু বাদ দিয়ে ৫ টাকা লাভ থাকলো । কিন্তু পুজিবাদ এখানেই সন্তুষ্ট থাকতে রাজি না। তাই সে আরো লাভ চায় । এজন্য সে চিন্তা করবে আমি যদি কৃষকের কাছ থেকে আরো কমে কিনতে পারি তাহলে আমার আরো বেশি লাভ হবে । তাই সে সিন্ডিকেট তৈরী করে এবং তাদেরকে সে টাকা পে করে । এই সিন্ডিকেট হতে পারে স্থানীয় রাজনীতিবিদ,কৃষকনেতা,প্রশাসন কিংবা অন্য কেউ ।

 কিন্তু এখানেও সমস্যা আছে । সমস্যা হলো এই পদ্ধতিটা একটু জটিল আর ডিপেন্ডবল যেকোন সময় ফেল করতে পারে । তাই আজকাল কোম্পানীগুলো এই ঝুঁকিতে যেতে চায় না। এইকারনেই তারা ভিন্ন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করেছে । সেটা হলো কোম্পানী নিজেই জমি কিনে অথবা লিজ নিয়ে নিজেই গম উৎপাদন করবে। এবং দৈনিক কিংবা মাসিক চুক্তিতে ওইসব কৃষকদেরকেই নিয়োগ দিবে । ফলে কাচামালের বাজার তার নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

এখন সমস্যা হলো যারা এর বাইরে চাষাবাদ করে গম উৎপাদন করবে তারা ন্যায্য মুল্য পাবে কি করে?? কারন কোম্পানীগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে এমন মগজ ধোলাই করে যে যাতে করে কেউ আর খোলা আটা না কিনে । ফলে ঐসব স্বতন্ত্র কৃষকদের বাধ্য হয়ে কোম্পানীর নিকট কোম্পানীর ইচ্ছামত মূল্যে গম বিক্রি করতে হয়।

যদিও আমরা এখনো কিছু খোলা আটা পাই, সেসব যারা বিক্রি করে তারা তাদের মনের মত করে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করে কারন তাদেরও লাভ করতে হবে উচ্চ মাত্রায় এখন এসব ব্যবসায়ীদের তো লাখ লাখ শ্রমিক নাই যে তাদের ঠকাবে, এজন্যে তারা কৃষকের নিকট থেকে ক্রয় করে ভেজাল মিশিয়ে বাজারজাত করে ।

আর এই পুরো প্রক্রিয়াটা পাহারা দেয় আমদের সরকার । কারন তার নির্বাচন করতে ব্যপক টাকা খরচ হয় যা এইসমস্ত কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে ( অফ দা রেকর্ট ) ।

আসলে এই কারনেই কৃষক তার ফসলের ন্যয্য মূল্য পাচ্ছে না । আরো অনেক কারন আছে যা এই প্রবন্ধে আলোচনা করছি না।

আর শ্রমিক ঠকানোর বিষয়টাও সিম্পল কারন কোম্পানী চায় কাচামালের পর যেই সিস্টেম এ আটা প্যাকেটজাত হয় তাতে আর কিভাবে খরচ কমানো যায় সেই ক্ষেত্রে অন্যান্য বিষয়গুলো থাকে কন্সট্যান্ট শুধু শ্রমিকের মজুরি কমালেই উতপাদন খরচ কমে।

তাই আজ আমাদের কৃষকেরা ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে খেতে আগুন দেয় অথবা আত্মহত্যা করে । আর শ্রমিক হয়ে যায় নিঃস্ব ।



শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

শর্টফিল্ম "কমরেড"।

শ্রমজীবী মানুষরাই যে তিলে তিলে আমাদের এই সমাজ-সভ্যতা-দেশ গড়ে তুলেছে তা আমাদের সবারই জানা।কিন্তু আমরা যারা ছাত্র,চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ী তারা অনেকেই শ্রমিকদের এই অবদানকে স্বীকার করিনা।

কিন্তু সবাই স্রোতে গা ভাসায় না।কেউ কেউ আলাদা হয়,যারা কথা বলে শ্রমিকের অধিকার নিয়ে, যারা কথা বলে শ্রমিকের দাবি নিয়ে। সিনেমা তৈরী করে শ্রমিকের প্রতিবাদী গলার আওয়াজ পৌছে দেয় শতকোটি মানুষের নিকট।তেমনি একজন নির্মাতা ছিলেন ঋত্বিক কুমার ঘটক।

ঋত্বিক কুমার ঘটকের "কমরেড"গল্প অবলম্বনে তরুন নির্মাতা মাসুম বিল্লাহ তৈরী করেছেন শর্টফিল্ম "কমরেড"।ফিল্মটিতে শ্রমিক ও মালিকের বেতন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব প্রতিফলিত হয়েছে।একজন শ্রমিকনেতা, শ্রমিকদের দাবি ও শ্রমিক আন্দোলন গড়ে ওঠার ভিতরের গল্প খুব কাছ থেকে দেখিয়েছেন নির্মাতা।

শেষ পর্যন্ত শ্রমিকনেতা আন্দোলনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার সিদ্বান্ত নিলে তারই এক কমরেড সকল শ্রমিকদের স্বার্থে নেতাকে খুন করে।এবং আন্দোলন রানিং রাখে।

ছবিটির শুটিং হয়েছে ময়মনসিংহ শহরে।চিত্রগ্রহন খুব সুন্দর হলেও শব্দের ক্ষেত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে।কিন্তু তাতে ছবির মুল বিষয়বস্তু বুঝতে কোন সমস্যা হবে না।

ছবির সময়কাল ২৫মিনিট।ছবিটি ইউটিউবে সার্চ করলে পাওয়া যাবে।যারা শ্রমিক রাজনীতি করেন, শ্রমিকদের নিয়ে ভাবেন তাদেরকে ছবিটি দেখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।পরিশেষে মাসুম বিল্লাহর মতো আরও অনেক তরুন এগিয়ে আসুক এই ধরনের ছবি নিয়ে এটাই কামনা।

রোহিঙ্গা ও মায়াকন্না

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশ যে পদক্ষেপ নিচ্ছে তা মানবতার জন্য ভালো কিন্তু দেশের জন্য ভালো নয়।কারন এক. তাদের সরকার তাদেরকে ফেরত নিবে না।ছলে বলে কৌশলে তারা আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিবে।দুই.রোহিঙ্গারা মুসলমান এবং অশিক্ষিত।তারা যেকোন সময় জঙ্গি বাহিনী তে যোগ দিতে পারে।কারন তাদের ধর্মেও তা সাপোর্ট করে।তারা যেকোন সময় জিহাদি দন্ড নিয়ে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পরতে পারে।
তাই তাদেরকে দেশের মধ্য বেশিদিন স্থায়ী আশ্রয় না দিয়ে বিশ্বকে সাথে নিয়ে মায়ানমার সরকারকে চাপ দিতে হবে।আর হ্যাঁ এরদোয়ান একটা ভন্ড ওর আশেপাশের মুসলমানদের ***য়া মেরে এখন এইখানে আসছে মায়া কান্না করতে।আর অনেকে দেখতেছি মুসলমান মুসলমান বলে ফেনা তুলে চাঁদা উঠাইতেছেন তারা কি জানেনা সেখানে হিন্দুও আছে।জানবে কেমনে ওরাতো খবরই দেখেনা।কারন Tv দেখা হারাম।হালা ভন্ডের দল..


মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

আমরা শোকাহত হতবম্ভ।

হিন্দুত্ববাদ ও গেরুয়া শিবিরের কট্টর
সমালোচক ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক
গৌরী লঙ্কেশকে মঙ্গলবার রাতে
ব্যাঙ্গালোরে নিজ বাড়ির সামনে গুলি
করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
গৌরী লঙ্কেশ ঘোষিতভাবেই হিন্দুত্ববাদ
বিরোধী ছিলেন এবং তিনি তার লেখার
মাধ্যমে সবসময়েই এর বহিঃপ্রকাশ
ঘটিয়েছেন।

অতএব সকল ধর্মেই জঙ্গি আছে।যারা কলমকে ভয় পায়।

শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০১৭

অলৌকিক নয় লৌকিক ও প্রবীর ঘোষ প্রসঙ্গে

বিংশ শতাব্দী ও একবিংশ শতাব্দীতে সারা দুনিয়া জুড়ে জ্ঞান বিজ্ঞানের যে প্রসার ঘটেছে তার হাওয়া সম্ভবত ভারতীয় উপমহাদেশে খুব পৌছাতে পারেনি।ফলে এসব অঞ্চলে এখনো মানুষজন ভূত-প্রেত জ্বীন-পরী,আত্মা, জাতিস্মর,পীর,ফকির,ওঝা,ঝাড়- ফুক,পানিপড়া,তেলপড়া ইত্যাদির ওপর অগাধ বিশ্বাস নিয়ে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।আর লাভবান হচ্ছে একধরনের ভন্ড প্রতারক ধর্মগুরু ও ধর্মব্যবসায়ীরা।অসুখ বিসুখ হলে এখনো মানুষজন হুজুর,সাইজী আর বাবা দের কাছে ধরনা দেয়।বড় বড় শহরের বাসিন্দারা আধুনিকতার ঝোকে হলেও পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।ফলে শারীরিক কোন অসুখ হলে জটিল অবস্থায় হাসপাতালে যায়। কিন্তু তাদের মধ্যেও অনেকে মনোবিজ্ঞান বলতে যে একটা বিষয় আছে সেটাই জানেন না।শরীর এর মতো মনেরও যে অসুখ হতে পারে এই কথা তারা মানতে নারাজ।

কিন্তু কেউ কেউ আছেন যারা এই সমস্ত ঘোর অন্ধকার অঞ্চলে আলোর দূত হয়ে আলো ছড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।তাদেরই একজন হলো "প্রবীর ঘোষ"।যিনি এই অঞ্চলের মানুষকে গোড়ামি,কুসংস্কার,অন্ধকার,অজ্ঞতা র ভেরাজাল থেকে বের করে আনতে বিজ্ঞানের আলো নিয়ে মাঠে-ঘাটে,পথে- প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
মনোবিজ্ঞানটাকে মানুষের মাঝে খুব সহজভাবে পৌছে দিচ্ছেন।যেকোন বিভাগের যেকোনো ছাত্র খুব সুন্দর ও সহজভাবে মনোবিজ্ঞান জানতে প্রবীর ঘোষের বইগুলো ও লেখাগুলো পড়তে পারেন।শুধু মনোবিজ্ঞান নয় বিজ্ঞানের সকল শাখায়ই ওনার বিচরণ আছে।তবে সবচেয়ে উল্ল্যেখযোগ্য কীর্তি হলো "অলৌকিক নয় লৌকিক"। এপর্যন্ত বইটির আটটি খন্ড বের হয়েছে।বইটির ছয় নম্বর খন্ড পর্যন্ত অনলইনে পিডিএফ আকারে পাওয়া যায়।আর বাকীগুলো পাওয়া যাবে বুক সেলারদের কাছে।বইটিতে মনোবিজ্ঞানের সকল দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।তাছাড়া মানসিক রোগীদের চিকৎসার কেস স্টাডিও রয়েছে হুবহু।তাই আমাদের সকলেরই বইটা পড়া উচিত।

বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৭

আতঙ্কের রাজনীতি

দেশের বেশিরভাগ মানুষ বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে মোটামুটি ক্ষুব্ধ। কিন্তু তাদের কোন প্রকার  React করতে দেখা যায় না।কারন তারা প্রচন্ড রকমের ভীত হয়ে পরেছে।এই ভীত হওয়ার পিছনের কারন হলো সরকারের দমনশীল নীতির কারনে।খেয়াল করলে দেখবেন সরকার তার বিরুদ্ধে যেকোন ধরনের আন্দোলনকে খুব নোংরা ও বরবর ভাবে নস্যাৎ করেছে।এই বিষয়গুলো সরকার খুব পরিকল্পিত ভাবে করেছে।এবং তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে।সরকার একদিকে যেমন মানুষকে আত্মকেন্দ্রিক করার সকল আয়োজন করেছে অপর দিকে ভীতির অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে।এতে করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রুট লেভেলের কর্মীরা সামনের দিকে আগাতে পারছে না আর যারা নতুন করে পলিটিক্স করবে ভাবছে তারাও কোন দলের সাথে এ্যাড হতে সাহস পাচ্ছে না।ফলে সরকার বাবাজি খুব সুন্দরভাবে তার লুটপাটতন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।যেমন ধরুন বি এন পি র অবরোধ চালাকালীন সময় গাড়িতে প্রেট্রোল বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় যে আওয়ামীলীগ জড়িত তার প্রমান আমরা বরিশালের এক নেতার বক্তব্যের মাধ্যমে জেনেছি।তাছারা তারা এলাকায়,বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে একধরনের নিরীহ টাইপ ছেলেদের ছোটখাট অপরাধে অথবা গায়ে পরে বিবাদ সৃষ্টি করে বেধরক মারবে।ফলে অন্যান্য ছাত্রদের মধ্যে একটা আতঙ্ক কাজ করে।আসলে এই ধরনের ঘটনা আমাদের খুব যত্ন নিয়ে দেখে বিশ্লেষন করতে হবে।এবং মনে রাখতে হবে রক্ত দিতে হবে।রক্ত ছাড়া আন্দোলন সফল হয়না।আমাদের সংখ্যা শাসক শোষকদের থেকে অনেক অনেক বেশি, তাই আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে আতঙ্কিত করতে হবে।বুঝাতে হবে যে একটা গনতান্রিক দেশের জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস।

শুক্রবার, ৫ মে, ২০১৭

দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সরকারি করনের দাবি প্রসঙ্গে।

ছাত্রদের এই দাবি যৌক্তিক এবং অত্যান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা  যাত্রাবাড়ী -কদমতলী-ডেমরা-শ্যামপুর সহ এই বৃহৎ অঞ্চলে কোন সরকারী কলেজ নেই।কিন্তু ব্যাঙ এর ছাতার মত বেসরকারী কলেজ এর কোন অভাব নাই।১০/১২জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ব্যক্তিগন নেমে পড়েন বর্তমান বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক এই ব্যবসায়।আমরা যদি এই অঞ্চলের মানুষের দিকে তাকাই তাহলে নিম্ম-বিত্ত ও নিম্ম-মধ্যবিত্ত শ্রেনীর সংখ্যাই বেশি দেখতে পাই। এদের জীবন জীবিকার মানও খুব একটা ভাল না।জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে বছরের প্রায় অর্ধেক সময়।চারদিকে উন্নয়নের হাওয়া বইলেও এখানে কর্তামহলের খুব একটা নজর পড়েনা।কিন্তু ভোটাররের সংখ্যা কিন্তু কম নয় কোন অংশেই।অত্যান্ত ঘনবসতিপূর্ন এই অঞ্চলে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাত্র একটি।অপরদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ও হাতেগোনা কয়েকটি।এইসকল বিদ্যালয়ের আসন সংখ্যা সিমিত এবং দূরুত্ব অনেক। তাই বাধ্য হয়ে অভিভাবকগন তাদের সন্তানদের ভর্তি করান বেসরকারি কিংবা এমপিও ভুক্ত স্কুল কলেজে।যা অত্যান্ত ব্যায়বহুল এবং শিক্ষার মান নিয়েও প্রশ্ন করা যায়। মাদরাসার সংখ্যাও এখানে ঢাকার অন্যান্য অঞ্চলের থেকে বেশি বৈকি কম নয়।যার ফলস্বরুপ জঙ্গি গ্রেফতার হয়ে বিভিন্ন সময়ে পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে এই জায়গাটি।
সে যাইহোক এসব স্কুল-কলেজ-মাদরাসায় বড়জোর উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়ানো হয়।তাই উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে হলে তাদেরকে যেতে হয় ঢাকার একপ্রান্ত থেকে অারেকপ্রান্তে।যা রীতিমত হয়রানি।তবুও যেসকল শিক্ষার্থী ঐসকল পাবলিক ও সরকারি কলেজে পড়ার সুযোগ পায়না তাদের বাধ্য হয়ে ভর্তি হতে হয় দনিয়া কলেজ ও আর কে চৌধুরীর মতো  হাতেগোনা কয়েকটি কলেজে।যেখানে কাঙ্খিত বিষয়ে পড়তে পারেনা অধিকাংশ শিক্ষার্থী।আর খরচের কারনেও ঝরেপরে অনেকে।তাই আজকে দনিয়া কলেজের প্রায় ৪হাজার শিক্ষার্থী রাজপথে নেমেছেন তাদের কলেজকে সরকারিকরনের দাবিতে।এই দাবি সময়ের দাবি।এই দাবি ছাত্রদের প্রানের দাবি। সকল ছাত্ররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করছে এই আন্দোলনের সাথে।তারা জানে শিক্ষা কোন পন্য নয় শিক্ষা তাদের অধিকার। আর এই অধিকার আদায় করতে হলে রাজপথে নামতে হয়।তাই আজ তারা রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এগিয়ে নিচ্ছে আন্দোলনের স্রোতকে।

কিন্তু কিছু স্বার্থনান্মেষী মহল চাইবে না ছাত্রদের এই দাবি বাস্তবায়ন হউক।এজন্যে তারা নানা ভাবে আন্দোলনকে ব্যহত করার চেস্টা করবে।পেটোয়া বাহিনী লেলিয়ে দিবে তাই বলে আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া চলবে না।সঠিক নেতৃত্বদান করে অকুতোভয়ীর মতো আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। এর আগে ফুলবাড়িয়া সহ বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদের আন্দোলন পন্ডুল করার নজির আমরা দেখিছি কিন্তু তাই বলে আমাদের দমিয়ে গেলে চলবে না।সকল বাধা অতিক্রম করেই এগিয়ে যেতে হবে লক্ষ্যের দিকে।বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।